প্রিন্ট এর তারিখঃ Oct 1, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Dec 15, 2025 ইং
আয়রন ডোম থেকে রাজনৈতিক ডোম: মেধাবী মুসলমান কেন সবচেয়ে বড় ‘থ্রেট’

আয়রন ডোম থেকে রাজনৈতিক ডোম: মেধাবী মুসলমান কেন সবচেয়ে বড় ‘থ্রেট’
লেখক: ওলিউল্লাহ, আইসিটি বিষয়ক সম্পাদক, দৈনিক ফুলতলা প্রতিদিন
ইসরায়েলের আয়রন ডোম কিভাবে কাজ করে নিশ্চয়ই এখন সবাই জানেন। তারপরও বলি। ধেয়ে আসা মিসাইল এই আয়রন ডোম স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত করে এবং যেগুলো খোলা ময়দানে বা জনমানবহীন জায়গায় পড়তে পারে সেগুলো সে ইন্টারসেপ্ট করে না। ছেড়ে দেয়। কিন্তু যে মিসাইল শুধুমাত্র জনবহুল এলাকায় পড়ার সম্ভাবনা আছে সেগুলোকেই সে ইন্টারসেপ্টর দিয়ে ধ্বংশ করে।
ভারত এই দেশের মুসলিম জনতা নিয়ে মোটেও ভাবে না৷ এরা সেই ছেড়ে দেয়া মিসাইল। যারা কোন ক্ষতির কারণ নয় ভারতের জন্য। কারণ তারা মুসলিম রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে প্যাচ গ্যাচ লাগিয়ে রেখেছে। এরা সারাদিন একে অন্যের পু তে আংগুল দিতেই ব্যাস্ত। সুতরাং এসব মুসলিম জনতাকে ভারতের ঠেকানোর দরকার নেই৷ এরা দুধভাত। এরা ভারতের জন্য কখনোই থ্রেট নয়।
ভারতের কেবল ভয় হাদির মতো মেধাবী শিক্ষিত ইসলামিক বারুদগুলোকে, যাদের মধ্যে একটা জাতিকে জাগিয়ে তোলার ক্ষমতা আছে। এদেরকেই ভারত ভয় পায়।
বিগত ৩০ বছরের মধ্যে ভারতের জন্য তিনজন ব্যাক্তি গভীর থ্রেট হয়ে দাঁড়ায়। একজন আল্লামা সাঈদী। তাকে জেলে মেরে ফেলা হলো। এরপর এলো হাদি। তাকেও প্রায় শে: ষ করে দিয়েছে বলা যায়। আর বাকী রইল আর একজন, মিজানুর রহমান আজহারী!
ভারত কখনোই মেধাবী উচ্চশিক্ষিত মুসলিম থ্রেট* বাঁচিয়ে রাখে না। যাদের মধ্যে গোটা জাতি জাগিয়ে তোলার ক্ষমতা আছে তাদেরকেই শেষ* করে দেয়৷ আর এভাবেই তারা দাসত্ব কায়েম করেছে এই জমিনে। মুসলমানদের জমিনে মুসলমানরাই পরাধীন। এভাবেই চলবে। কারণ আমরা জাতি* হিসেবে অশিক্ষিত* এবং জ্ঞান, বুদ্ধিহীন।
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ দৈনিক ফুলতলা প্রতিদিন